শুক্রবার, ১৮ Jun ২০২১, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বরিশালে রবি ম্যানেজার পরিচয়ে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র। ভাইয়ের অপরিপুর্ন কাজ পুরন করতে ২৮ নং ওয়ার্ডে আলোচনায় হুমায়ন কবির। আজ ফাইজাতুল আয়শা আভার শুভ জন্মদিন। ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশ বরিশাল শাখার উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত। বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতিকে অব্যাহতি, কমিটি বিলুপ্ত সাবেক কাউন্সিলর জাকির হোসেন জেলাল মারা গেছেন কলেজছাত্রীর মৃত্যু: মামলা তুলে নিতে অর্থের প্রস্তাবসহ হুমকি। বরিশালে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’র তান্ডব শুরু বরিশালের হিজলায় বিনা নোটিশে পোল্টি মুরগীর খামারের লাইন কর্তনে ৩শো মুরগির প্রাণহানি। ফের ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি হামলা আজ তরুণ সাংবাদিক আল আমিন গাজীর শুভ জন্মদিন। যুদ্ধবিরতির পর ফিলিস্তিনিদের ‘বিজয়োল্লাস’ সাংবাদিক রোজিনার মুক্তির দাবিতে বরিশাল বিভাগীয় অনলাইন প্রকাশক ও সম্পাদক পরিষদের মানববন্ধন সাংবাদিক রোজিনার মুক্তির দাবিতে বরিশাল মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাবের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সাংবাদিক রোজিনার মুক্তির দাবিতে বরিশাল তরুণ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের বিবৃতি। ফিলিস্তানে সেনাবাহিনী পাঠাতে প্রস্তুত মালয়েশিয়া রোজিনাকে হেনস্তা, গ্রেপ্তার ও মন্ত্রণালয়ের ব্যাপারে যা বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিক রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানায় সাংবাদিকদের অবস্থান কিশোরকে বেঁধে নির্যাতন, দেওয়া হয় বৈদ্যুতির শক বরিশালে বাসদ কর্মীর মামলায় আ’লীগ কর্মী গ্রেপ্তার, প্রতিবাদে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ
বরিশাল ডিডি কতৃক এমপিও ভুক্তিতে শিক্ষকদের হয়রানির অভিযোগ।

বরিশাল ডিডি কতৃক এমপিও ভুক্তিতে শিক্ষকদের হয়রানির অভিযোগ।

নাজমুল সানী : পরিপত্র অনুযায়ী কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বরিশালের উপ পরিচালক আনোয়ার হোসেন মহিলা কোটার ৪০ জনের ফাইল এক মাস আটকে রেখে ফাইল রিজেক্ট করছে। গত ২৪ শে জানুয়ারী ২০১৯ এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে প্রায় ৩০০ শিক্ষক এমপিও ভূক্ত হতে পারছিলো না। অবশেষে গত ৯ জুন ২০২০ মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীর উদ্যোগে ভূক্তভভোগীদের সমস্যা নিরসন হয়।

গত ২৬ শে জুলাই ২০২০ পরিপত্র জারি হয় যার স্মারক নং ৫৭.০০.০০০০.০৪১.০২৩.১৯.১৪৭। যেখানে পরিপত্রের ২নং পয়েন্টে উল্লেখ ছিলো, ১.সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ২.নিবন্ধন সনদ ৩.বর্নিত নীতিমালায় পদ শূন্য থাকলে এবং ৪.নিয়োগ সুপারিশ ঠিক থাকলে। এমপিও ছেড়ে দিতে কিন্তু মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বরিশালের আনোয়ার হোসেন তুচ্ছ বিষয়ে ফাইল রিজেক্ট করে এবং ফাইল আটকে রাখছে যা মন্ত্রনালয়ের জারিকৃত আদেশের পরিপন্থি, যেখানে পাঁচ কর্ম দিবসের মধ্যে ফাইল নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে এবং ক্ষুদ্র কোন সমস্যা নিয়ে ফাইল রিজেক্ট করা যাবেনা।

এ বিষয় বরগুনা তালতলী ইসলামিয়া দাখিম মাদ্রাসার জুনিয়র মৌলভী আব্দুল কুদ্দুস বলেন আমার ফাইল রিজেক্টের কারন হিসেবে উল্লেখ করছে সব রেজুলেশন সে পায়নি অথচ আমার সব রেজুলেশন আছে। তার কাজই হচ্ছে অন্যায় ভাবে মানুষকে হয়রানি করা। কোটা পার ছালেহা দাখিল মাদ্রাসা পটুয়াখালির সহকারী মৌলভী আল আমিন বলেন এবতেদায়ী শাখা পাঁচ জন শিক্ষক দেখিয়ে ফাইল রিজেক্ট করছে অথচ আমি দাখিল শাখার শূন্য পদে নিয়োগ পেয়েছি। দীর্ঘ দিন ধরেই তিনি শিক্ষকদেরর হয়রানি করে আসছেন। আমরা তার বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রনালয় কে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

প্রতি দুই মাস পর পর এমপিও কমিটির সভা বসে, যেখানে একজন শিক্ষক এমপিও আবেদন করে উপজেলা, জেলা, এবং আঞ্চলিক অফিসে এমপিও ফাইল গেলে ইনডেক্স পায়। যা খুবই হয়রানি মূলক ডিজিটাল যুগে এ রকম হয়রানি বোধগম্য নয়।

ভুক্তভোগী কানকী রামপুর মাসুমিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী মাওঃ আবুল কাশেম বলেন যেখানে অনলাইনে আবেদন করতে কম্পিউটারের দোকানে দুই থেকে তিন হাজার টাকা দিতে হয় আর কাগজ দিতে হয় ২৯ থেকে ৩২ ধরনের যা খুবই হয়রানি। অনেক সময় উপজেলা, জেলা, আবার আঞ্চলিক অফিসে ফাইল রিজেক্ট হয় যার জন্য পিছিয়ে যায় দুই মাস। আবার নতুন করে আবেদন করতে, আবার কম্পিউটার দোকানে দুই তিন হাজার টাকা দিতে হয়। এভাবে একজন শিক্ষকের এমপিও ভূক্ত হতে অনেক শিক্ষকের ছয় থেকে আট মাস এমনকি বছর ও লেগে যায়। অথচ তাদের ও পরিবার আছে, মা বাবা আছে। এভাবে কেন শিক্ষকদের হয়রানি হতে হবে। অনেক শিক্ষক এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ পেলে ও নানা অজুহাতে এমপিও ভূক্ত হতে পারেনি। অবশেষে মাননীয় মন্ত্রী মহিলা কোটা সহ সকল ভূক্তভভোগীদের সমস্যার সমাধান দিয়েছেন কিন্তু অত্যান্ত দুঃখ জনক ছোট খাটো অজুহাতে আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসার তাদের ফাইল গুলো রিজেক্ট করেছে, যেখানে ১৯ মাসের মতো তারা এমপিও বিড়ম্বনায় ভুগছে। ছোট খাটো ভুলের জন্য কারো ফাইল রিজেক্ট করা যাবেনা মর্মে মন্ত্রনালয় আদেশ জারি করলে ও তাতে সুফল পাচ্ছে না ভূক্তভোগী শিক্ষকরা।

এদিকে বার বার ফাইল অযথা কারন দেখিয়ে এমপিও ভুক্তির ফাইল রিজেক্ট করা সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে ডিডির বিরুদ্ধে।

উক্ত বিষয়ে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেনের কাছ থেকে তার মতামত জানতে চাইলে তার ব্যবহৃত মোবাইল (০১৭৬০…..৪৫) ফোনে একাধিক বার কল দিলে বন্ধ পাওয়া যায়।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2017